সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জায়গা জমির বিরোধে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। মামলা সূত্রে জানা যায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের প্রবাসী মোশাররফ হোসেনোর স্ত্রী রোকশানা আক্তার মায়া পাশ্ববর্তী বাড়ির রমজান আলীর ছেলে আবদুল মমিনের কাছ থেকে ৮. ৭৫ শতক জায়গা ক্রয় করেন।

জায়গা কেনার পর থেকে আবদুল মমিনের ভাই মোঃ মহিউদ্দিন (৪৫) বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রোকশানাকে একা পেয়ে মহিউদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন ক্রয়কৃত জায়গা ফেরত দিতে গালাগাল করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে মহিউদ্দিন ও তার লোকজন ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় গৃহবধূ রোকশানা বাধা দিলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোকশানার বাম হাতের কব্জি কেটে যায়। পরে রোকশানার আত্মচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে মহিউদ্দিন ও তার লোকজন চলে যায়। স্থানীয় লোকজন আহত গৃহবধূ রোকশানাকে উদ্ধার করে মনোহরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। হামলার ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার আদালতে মহিউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
এবিষয়ে সরজমিন গিয়ে জানা যায় মহিউদ্দিনের বড় ভাই মমিনের কাছ থেকে প্রবাসীর স্ত্রী রোকশানা আক্তার তিন বছর আগে বসত বাড়ির ৮.৭৫ শতক জায়গা ক্রয় করেন। জায়গা কেনার আগে মহিউদ্দিনকে বারবার জিজ্ঞেস করলেও তিনি জায়গা ক্রয় করতে পারবেননা বলে জানান। পরবর্তীতে জায়গার দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে মহিউদ্দিন জায়গা দাবি করে আদালতে পেনশন মামলা করেন এবং জায়গা ফেরত দেয়ার জন্য রোকশানাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন। এব্যাপারে মহিউদ্দিন জায়গা বিক্রির সময় তাকে জানানোর কথা স্বীকার বলেন তখন আমার কাছে টাকা ছিলোনা তাই কিনতে পারিনি। স্থানীয় সচেতন মহল বলেন জায়গা বিক্রির সময় মহিউদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলে তখন সে কিনেনি এখন অহেতুক ঝামেলা করছে। বারবার মহিলাকে হুমকি ধামকিসহ হামলা করছে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান তারা। রোকশানা আক্তার বলেন জায়গা কেনার আগে আমি মহিউদ্দিনকে বারবার জিজ্ঞেস করেছি, তিনি তখন কিনতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এখন তিনি জায়গা দাবি করেন। তিনি বলেন আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় আসামিরা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে, ঘটনার দিন আমাকে জানে মেরে ফেলার উদ্দেশে আমার উপর হামলা করে। আমি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। রোকশানা আক্তার বলেন জায়গা কেনার আগে আমি মহিউদ্দিনকে বারবার জিজ্ঞেস করেছি, তিনি তখন কিনতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এখন তিনি জায়গা দাবি করেন। তিনি বলেন আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় আসামিরা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে, ঘটনার দিন আমাকে জানে মেরে ফেলার উদ্দেশে আমার উপর হামলা করে। আমি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ট্যাগঃ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

sokoler khabor

আমরা কখনো সাংবাদিকদের কন্ঠ রোধ করবো না —আবুল কালাম এমপি

জায়গা জমির বিরোধে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

আপডেট এর সময় ০৫:১৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। মামলা সূত্রে জানা যায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের প্রবাসী মোশাররফ হোসেনোর স্ত্রী রোকশানা আক্তার মায়া পাশ্ববর্তী বাড়ির রমজান আলীর ছেলে আবদুল মমিনের কাছ থেকে ৮. ৭৫ শতক জায়গা ক্রয় করেন।

জায়গা কেনার পর থেকে আবদুল মমিনের ভাই মোঃ মহিউদ্দিন (৪৫) বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রোকশানাকে একা পেয়ে মহিউদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন ক্রয়কৃত জায়গা ফেরত দিতে গালাগাল করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে মহিউদ্দিন ও তার লোকজন ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় গৃহবধূ রোকশানা বাধা দিলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোকশানার বাম হাতের কব্জি কেটে যায়। পরে রোকশানার আত্মচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে মহিউদ্দিন ও তার লোকজন চলে যায়। স্থানীয় লোকজন আহত গৃহবধূ রোকশানাকে উদ্ধার করে মনোহরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। হামলার ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার আদালতে মহিউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
এবিষয়ে সরজমিন গিয়ে জানা যায় মহিউদ্দিনের বড় ভাই মমিনের কাছ থেকে প্রবাসীর স্ত্রী রোকশানা আক্তার তিন বছর আগে বসত বাড়ির ৮.৭৫ শতক জায়গা ক্রয় করেন। জায়গা কেনার আগে মহিউদ্দিনকে বারবার জিজ্ঞেস করলেও তিনি জায়গা ক্রয় করতে পারবেননা বলে জানান। পরবর্তীতে জায়গার দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে মহিউদ্দিন জায়গা দাবি করে আদালতে পেনশন মামলা করেন এবং জায়গা ফেরত দেয়ার জন্য রোকশানাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন। এব্যাপারে মহিউদ্দিন জায়গা বিক্রির সময় তাকে জানানোর কথা স্বীকার বলেন তখন আমার কাছে টাকা ছিলোনা তাই কিনতে পারিনি। স্থানীয় সচেতন মহল বলেন জায়গা বিক্রির সময় মহিউদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলে তখন সে কিনেনি এখন অহেতুক ঝামেলা করছে। বারবার মহিলাকে হুমকি ধামকিসহ হামলা করছে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান তারা। রোকশানা আক্তার বলেন জায়গা কেনার আগে আমি মহিউদ্দিনকে বারবার জিজ্ঞেস করেছি, তিনি তখন কিনতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এখন তিনি জায়গা দাবি করেন। তিনি বলেন আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় আসামিরা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে, ঘটনার দিন আমাকে জানে মেরে ফেলার উদ্দেশে আমার উপর হামলা করে। আমি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। রোকশানা আক্তার বলেন জায়গা কেনার আগে আমি মহিউদ্দিনকে বারবার জিজ্ঞেস করেছি, তিনি তখন কিনতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এখন তিনি জায়গা দাবি করেন। তিনি বলেন আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় আসামিরা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে, ঘটনার দিন আমাকে জানে মেরে ফেলার উদ্দেশে আমার উপর হামলা করে। আমি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।